সোমবার, ১লা আষাঢ় ১৪৩৩, ১৫ই জুন ২০২৬
BD NEWS LIVE 99
BD NEWS LIVE 99

জাতীয় স্মৃতিসৌধে সর্বসাধারণের ঢল

সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

বিজয় দিবস উদযাপন এবং জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে নানা শ্রেণিপেশার মানুষের ঢল নেমেছে। নারী, পুরুষ, শিশু, বৃদ্ধদের পদচারণায় মুখর হয়ে উঠেছে জাতীয় স্মৃতিসৌধ এলাকা। হাজার হাজার মানুষ জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের প্রতি ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানোর পাশাপাশি নানা আনন্দে মেতে উঠেছেন। শিশুদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো।

মুখে, হাতে জাতীয় পতাকার ছবির পাশাপাশি স্মৃতিসৌধের ছবি এঁকেছেন কেউ কেউ। ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে যাদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে বাঙালি পেয়েছিল স্বাধীন দেশ, সেই শহীদদের স্মরণে শনিবার (১৬ ডিসেম্বর) রাতের প্রথম প্রহরেই ঘন কুয়াশা আর শীত উপেক্ষা করে স্মৃতিসৌধ এলাকায় আসতে থাকে মানুষ।

এর আগে সকালে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শ্রদ্ধা জানানোর মধ্যদিয়ে বিজয়ের ৫৩ বছর পূর্তির দিনের কর্মসূচি শুরু হয়। জাতীয় স্মৃতিসৌধে প্রথমে রাষ্ট্রপতি এবং পরে শ্রদ্ধা জানান প্রধানমন্ত্রী। এসময় সেনা, নৌ ও বিমান- তিন বাহিনীর একটি চৌকস দল সালাম জানায়। শহীদদের স্মরণে বিউগলে বাজানো হয় করুণ সুর। কিছুটা সময় নীরবে দাঁড়িয়ে জাতির বীর সন্তানদের স্মরণ করেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী। রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী চলে যাওয়ার পর সর্বসাধারণের শ্রদ্ধা জানানোর জন্য স্মৃতিসৌধ এলাকা উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়। রাজধানীর মিরপুর থেকে বাবা রায়হানুল ইসলামের সঙ্গে জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানাতে আসেন শিশু ফাতিহা।

সে বলে, আজ মহান বিজয় দিবস। দাদুর কাছে দেশ স্বাধীন হওয়া এবং যুদ্ধের গল্প শুনেছি। যারা আমাদের স্বাধীন দেশ উপহার দিয়েছেন তাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে বাবার সঙ্গে এখানে এসেছি। স্মৃতিসৌধ এলাকায় মুখে জাতীয় পতাকার ছবি আঁকছিল শিশু নিলয়। সে বলে, আব্বুর সঙ্গে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে এখানে এসেছি। এখানে অনেক মানুষ। আমার খুব ভালো লাগছে। মুখে পতাকা আঁকিয়ে নিচ্ছি। কারণ এই পতাকা আমাদের অহংকার।

স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানাতে আসেন মধ্য বয়সী আবুল হোসেন। তিনি বলেন, আমি মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করতে পারিনি। কিন্তু যুদ্ধ দেখেছি। মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করে যারা আমাদের স্বাধীন দেশ উপহার দিয়েছেন তাদের ঋণ কোনোভাবেই শোধ করা যাবে না। তিনি বলেন, আমি প্রতিবছর চেষ্টা করি স্মৃতিসৌধে এসে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর। ১৬ ডিসেম্বর এখানে এলে অন্যরকম ভালো লাগে। মনটা গর্ভে ভরে যায়। প্রতিবছর এখানে হাজার হাজার মানুষের ঢল নামে। এবারও এর ব্যতিক্রম হয়নি। মানুষের এমন উপস্থিত দেখে মনটা আনন্দে ভরে যায়। স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানাতে আসা নিলুফার নীলা বলেন, আমার বিয়ে হয়েছে এখনো এক বছর হয়নি।

আগে গ্রামের বাড়ি থাকতাম। বিয়ের পর ঢাকায় এসেছি, চার মাসের মতো হলো। রোহান (স্বামী) নিজ উদ্যোগে আজ এখানে নিয়ে এসেছে। আমাদের বিয়ের পর এটা প্রথম বিজয় দিবস, দুজন এক সঙ্গে স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানাতে আসতে পেরে খুব ভালো লাগছে।

Share:
মন্তব্য সমুহ
মন্তব্য করতে লগইন করুন অথবা নিবন্ধন করুন
আর্কাইভ

Follow Us

এলাকার খবর

ad

ফিচার নিউজ

৭ই জুন ২০২৬ সন্ধ্যা ০৬:৩৩ / চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা

এসআইএল ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের উদ্যোগে বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালন…

২৩শে মে ২০২৬ রাত ০৮:১১ / চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা

শিশু রামিসা হত্যার প্রতিবাদে চাঁপাইনবাবগঞ্জে যুব ও শিশু…

১লা মে ২০২৬ বিকাল ০৩:৪২ / গোমস্তাপুর উপজেলা

গোমস্তাপুরে যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান মে দিবস পালিত: ইনসাব-এর…